• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
শীতলক্ষ্যায় গোসল করতে নেমে বাল্কহেডের ধাক্কায় কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু: নবীগঞ্জে শোকের ছায়া শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে এসএসসি ফল প্রকাশের আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরে গেল পরীক্ষার্থীর প্রাণ বন্দর আমিরাবাদে মাদকের রমরমা ব্যবসা শনির আখড়ায় কলেজছাত্র মিনহাজ হত্যা: বিচারের বাণী কি নিভৃতে কাঁদবে? নেপথ্যে কোটি টাকার মিশন ও প্রভাবশালী মহলের ‘ছাতা’! ক্লাস চলাকালীন এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নানের অপেক্ষায় কাদাপানিতে বসে শিক্ষার্থীরা, ক্ষোভ অভিভাবকদের জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণে লালমাইয়ে আলোচনা সভা শাহজালাল (রহ.) মাজারে অনৈসলামিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ: ক্ষুব্ধ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা নারায়ণগঞ্জে থানা চত্বরে শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরানোর চেষ্টা আসামির যাত্রীবাহি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে নারী ও শিশুসহ ১০ জন আহত রূপগঞ্জে মাদক মামলায় ৩ জনের কারাদণ্ড

প্রাথমিক বৃত্তির ফলাফলে শীর্ষে ঢাকা, ফেল-অনুপস্থিতিতে শীর্ষে দিনাজপুর-নারায়ণগঞ্জ

Reporter Name / ৪৪ Time View
Update : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট ৭৯ হাজার ২৪৬ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা। ঢাকায় সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৮২ জন বৃত্তি পেয়েছে। তাদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ১ হাজার ৮৯৭ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২ হাজার ৭৮৫ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

৬৪ জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবানে। জেলাটি থেকে এবার বৃত্তি পেয়েছে মাত্র ১৮৮ জন। তার মধে ১০৯ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৭৯ জন সাধারণ ক্যাটাগরিতে।

ফেল-অনুপস্থিতিতে শীর্ষে দিনাজপুর-নারায়ণগঞ্জ

বৃত্তি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি ফেল করেছে দিনাজপুর জেলায়। জেলাটিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ হাজার ৩৬৬ জন। তাদের মধ্যে ফেল করেছে ৮ হাজার ৮৯৮ জন। ফেলের অনুপাত ৫৭ দশমিক ৯১ শতাংশ।

এদিকে, সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিত ছিল নারায়ণগঞ্জে। জেলাটির মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ হাজার ১৯৬ জন। তার মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয়নি ৪ হাজার ৮৫৮ জন। শতাংশের হিসাবে অনুপস্থিতি ৫২ দশমিক ৮০ শতাংশ।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। তার মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৬০৫টি এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৩ হাজার ২০৫টি।

এবার পরীক্ষায় অংশ নিতে রেজিস্ট্রেশন করে ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪১ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ৫৬ হাজার ১১৭ জন এবং ছাত্রী ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৯২৪ জন।

গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিল ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২ জন। উপস্থিতির হার ৬৫ দশমিক ১১ শতাংশ। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের ৩ লাখ ৪৪ হাজার ১২৭ জন। আর বেসরকারি বিদ্যালয়ের ৭৫ হাজার ৮৫৫ জন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd