• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সখিপুরে নদীতে ডুবে যাওয়া ফারিয়ার দুই দিন পর লাশ উদ্ধার হালুয়াঘাট সীমান্তে ৪৮ লাখ টাকার অবৈধ মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ করল বিজিবি । ফতুল্লায় তিন এসআইয়ের বিরুদ্ধে সত্তুর লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া ও গুলি করার বিস্ফোরক অভিযোগ: পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন চিকিৎসার অর্থ জোগাতে অবৈধ গ্যাস সংযোগে মোখলেস। ছেলে ভুয়া জুলাই যোদ্ধা, এনসিপির নাম ব্যবহার করে বিতর্কে প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চাষাড়ায় শাকিল-জাহিদের মাদকের মুক্তাঞ্চল: নেপথ্যে শতকোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য ও কিশোর গ্যাং সখিপুরে প্রবাসীর পকেটে মা”দ”ক দিয়ে মারধর ও লুটের চেষ্টার অভিযোগ শরীয়তপুরে সখিপুর থানায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে চরভয়রা উচ্চ বিদ্যালয়, পাসের হার ৭৪.৪৪ শতাংশ বিদ্যুৎহীন দুর্ভোগে ময়মনসিংহ ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ‘প্রায় চূড়ান্ত’, নতুন মহাসচিব কে? পুলিশকে থাপ্পড় দিয়ে গ্রেপ্তার কৃষক দল নেতার মুক্তির দাবিতে দিনাজপুরে পরিবহন ধর্মঘট

মাদক কারবারীর বাড়িতে এসআই এর যাতায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪৪৭ Time View
Update : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানাধীন ইসদাইর রেললাইন বস্তি এলাকায় বিলকিস নামে এক মাদকসেবী নারীর বাড়িতে ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিকের নিয়মিত যাতায়াত এবং তাকে শেল্টার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, এসআই রফিকের এই ছত্রছায়ায় ওই নারী ও তার সহযোগী সীমা, শুভ, শাকিল, জাহিদ, শামীম, নিশাত, সহিদুলসহ তার বিশাল সিন্ডিকেট নির্বিঘ্নে মাদক বিক্রি সহ একের পর এক অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।

ভুক্তভোগী স্থানীয়দের অভিযোগ, এসআই রফিকের যাতায়াতের কারণে ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে এবং মাদক ব্যবসা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে।

তারা বলছেন, প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এমন আচরণ জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই রফিক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “যদি এমন ধরনের কোনো তথ্য (যাতায়াতের) পান, তাহলে আপনারা রিপোর্ট করে দেন। ওখানে আমার একটি মামলার তদন্ত চলছে, আমি সেই মামলার ইনভেস্টিগেশনের জন্য যাই। আমি তাদের ধরার জন্য খুঁজছি।”

তবে, স্থানীয়রা এসআই রফিকের এই বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করে দ্রুত এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, একটি স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন হোক এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে এবং মাদক ব্যবসা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। তারা বলছেন, প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এমন আচরণ জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই রফিক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “যদি এমন ধরনের কোনো তথ্য (যাতায়াতের) পান, তাহলে আপনারা রিপোর্ট করে দেন। ওখানে আমার একটি মামলার তদন্ত চলছে, আমি সেই মামলার ইনভেস্টিগেশনের জন্য যাই। আমি তাদের ধরার জন্য খুঁজছি।”
তবে, স্থানীয়রা এসআই রফিকের এই বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করে দ্রুত এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, একটি স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন হোক এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd