• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সখিপুরে নদীতে ডুবে যাওয়া ফারিয়ার দুই দিন পর লাশ উদ্ধার হালুয়াঘাট সীমান্তে ৪৮ লাখ টাকার অবৈধ মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ করল বিজিবি । ফতুল্লায় তিন এসআইয়ের বিরুদ্ধে সত্তুর লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া ও গুলি করার বিস্ফোরক অভিযোগ: পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন চিকিৎসার অর্থ জোগাতে অবৈধ গ্যাস সংযোগে মোখলেস। ছেলে ভুয়া জুলাই যোদ্ধা, এনসিপির নাম ব্যবহার করে বিতর্কে প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে চাষাড়ায় শাকিল-জাহিদের মাদকের মুক্তাঞ্চল: নেপথ্যে শতকোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য ও কিশোর গ্যাং সখিপুরে প্রবাসীর পকেটে মা”দ”ক দিয়ে মারধর ও লুটের চেষ্টার অভিযোগ শরীয়তপুরে সখিপুর থানায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে শীর্ষে চরভয়রা উচ্চ বিদ্যালয়, পাসের হার ৭৪.৪৪ শতাংশ বিদ্যুৎহীন দুর্ভোগে ময়মনসিংহ ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ‘প্রায় চূড়ান্ত’, নতুন মহাসচিব কে? পুলিশকে থাপ্পড় দিয়ে গ্রেপ্তার কৃষক দল নেতার মুক্তির দাবিতে দিনাজপুরে পরিবহন ধর্মঘট

মাসদাইরে সিকিউরিটি গার্ডের প্রতারণা: ৯ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে লাপাত্তা একই পরিবারের ৪ জন

​নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ / ২৭৯ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন মাসদাইর এলাকায় পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে বাড়ি নির্মাণ ও ব্যাংক লোনের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীর ৯ লাখ ২১ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই পরিবারের চার সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা ওই এলাকায় একটি বাড়িতে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

​ভুক্তভোগী রুমি আক্তার (২৮) এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​অভিযুক্তরা হলেন—

১.⁠ ⁠মোঃ আলাল উদ্দিন (৪৯), ২. খালেদা বেগম (৪৫), ৩. নাঈম (২৮) এবং ৪. সুমি (২২)। তারা সবাই ময়মনসিংহের ফুলপুর থানার জাগির কাজিয়া কান্দা এলাকার বাসিন্দা এবং বর্তমানে মাসদাইর গোরস্থান সংলগ্ন খন্দকার ভিলায় বসবাস করছিলেন।

​ঘটনার বিবরণ:

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা রুমি আক্তারের ভাড়াটিয়া বাড়িতে দীর্ঘদিন সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেই সুবাদে তাদের মধ্যে একটি সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিবাদীরা তাদের গ্রামের বাড়িতে ঘর নির্মাণ করবেন এবং ব্যাংক থেকে লোন পাওয়ার পর টাকা পরিশোধ করবেন—এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত ১৬ জুন, ২০২৫ তারিখে রুমি আক্তারের কাছ থেকে নগদ ৯ লাখ ২১ হাজার টাকা কর্জ হিসেবে গ্রহণ করেন।

​টাকা নেওয়ার পর থেকে তারা দীর্ঘদিন ধরে পরিশোধের বিষয়ে টালবাহানা করতে থাকেন। গত ১ মে, ২০২৬ তারিখ ভোর ৬টার দিকে কাউকে কিছু না জানিয়ে তারা বর্তমান ঠিকানা থেকে সপরিবারে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অভিযুক্তরা একইভাবে এলাকার আরও অনেকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

​বর্তমান পরিস্থিতি:

ভুক্তভোগী রুমি আক্তার জানান, বিবাদীদের দেওয়া মোবাইল নম্বরগুলো (০১৯৫৯০৭৫৭২১, ০১৬১৭১৪২৫৯৮) মাঝে মাঝে সচল পাওয়া গেলেও তারা কল রিসিভ করছেন না। আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিত মহলে খোঁজ নিয়েও তাদের কোনো সন্ধান না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।

​প্রতারণার শিকার রুমি আক্তার বলেন, “তারা আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে সুপরিকল্পিতভাবে এই বিশাল অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে আমার টাকা উদ্ধার এবং এই প্রতারক চক্রের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

​ফতুল্লা থানা পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd