• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
​নিষেধাজ্ঞার মুখেও হিজলায় অবাধে মা ইলিশ শিকার: নেপথ্যে ওসি-কোস্টগার্ডের যৌথ ঘুষ বাণিজ্য ও বিএনপি নেতা জাকির মাঝি সরকারি বরাদ্দ নেই, প্রতিশ্রুতি রক্ষায় নিজের টাকায় চার মন্দির সংস্কার করলেন এমপি কিরন চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে ছাত্র ইসলামী আন্দোলনের প্রাক্তন সাথী-সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত সখিপুরের ডিএমখালীতে রাসেদ ছৈয়ালের সমর্থকদের ঢল সীতাকুণ্ডে অবৈধ বালু উত্তোলন ও আধিপত্যের দ্বন্দ্বে যুবদল কর্মী হত্যা, প্রধান আসামি আরিফসহ গ্রেপ্তার ৬ ৩৯ নং ওয়ার্ডের কয়েকটি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন ইসরাফিল খসরু মেট্রোপলিটিন পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা বগা কট বাংলাদেশে ঢুকছে নতুন মাদক ‘কুশ’: কতটা বিপজ্জনক এই মাদক? ঢাকা জেলা ডিবি (দক্ষিণ)-এর অভিযানে ৩০ গ্রাম হেরোইনসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার নারায়নগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১০৫

বাঁশখালীতে মাকে গলা কেটে হত্যা: ১০ মাস পর পলাতক ছেলে ও পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক / ৪৯০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নিজ মাকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার দীর্ঘ ১০ মাস পর প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নিহত নারীর আপন ছেলে ও তার স্ত্রী।

গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয় র‍্যাবের তথ্যমতে, আটককৃতরা হলেন বাঁশখালীর পূর্ব বৈলছড়ি এলাকার মোজাফফর আহমেদের ছেলে মো. কাশেম (২৮) এবং তার স্ত্রী নারগিছ আক্তার (২৫)। হত্যাকাণ্ডের শিকার ওই নারীর নাম রেহেনা বেগম (৬২), যিনি মূল অভিযুক্ত কাশেমের মা।

হত্যার নেপথ্য কারণ র‌্যাব জানায়, নিহত রেহেনা বেগম তার ছোট ছেলে কাশেম ও পুত্রবধূর সাথেই বসবাস করতেন। তার বড় ছেলে মো. বেলাল প্রবাসে থাকেন। মায়ের চিকিৎসা ও ওষুধের খরচ মেটানোর জন্য বেলাল তার স্ত্রীর মাধ্যমে ছোট ভাই কাশেমের কাছে নিয়মিত টাকা পাঠাতেন। কিন্তু কাশেম সেই টাকা মায়ের পেছনে ব্যয় না করে নিজেই আত্মসাৎ করতেন। এই আর্থিক বিষয় নিয়েই পরিবারটিতে প্রায়শই ঝগড়া-বিবাদ হতো।

হত্যাকাণ্ড ও মামলা পারিবারিক এই কলহের জেরে গত বছরের ৫ জুন কাশেম ও তার স্ত্রী নারগিছ মিলে রেহেনা বেগমকে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপরই তারা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর নিহতের ভাই মো. মোক্তার আহমদ বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ ১০ মাস পলাতক থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকরিয়া থেকে এই দম্পতিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব। র‌্যাব-৭–এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd