র হলো স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুক্রবার দিনের বেলায়ও আশুরা বেগমকে তাঁর স্বামী বাবলুর সঙ্গে এলাকায় ঘুরতে দেখা গেছে। এরপর রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন একটি ধানখেতে তাঁর অর্ধপোতা লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। রাত ১০টার দিকে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে স্বামী বাবলুকে এলাকায় আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের বক্তব্য
ইউপি সদস্যের দাবি: তুলসীগঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য তুষার হোসেন বলেন, “শুক্রবার দিনেও আশুরার সঙ্গে বাবলুর দেখা হয়েছে। রাতে বাড়ির পাশের ধানখেতে তাঁর লাশ অর্ধেক পুঁতে রাখা অবস্থায় পাওয়া যায়। একা একজনের পক্ষে এভাবে লাশ গুম করা কঠিন, অন্তত তিন-চারজনের সাহায্য ছাড়া এটি সম্ভব নয়।” তিনি দ্রুত হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
পুলিশের পদক্ষেপ: ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকলেছুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে এটি স্পষ্ট যে ওই নারীকে হত্যার পর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যেই মাটিচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।