ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিশেষ অভিযানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও তেজগাঁও এলাকা থেকে মোট ৬৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে শনিবার ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। এর মধ্যে যাত্রাবাড়ীতে ১৫ জন এবং তেজগাঁওয়ে ৫২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান ও জব্দকৃত মালামাল গত ২৪ ঘণ্টায় যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের অভিযানে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক ও নিষিদ্ধ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
জব্দকৃত মালামাল: ৪,০০০ পিস ইয়াবা, ১.৫ কেজি গাঁজা, ১,৫০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন এবং পলিথিন পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ১টি পিকআপ ভ্যান।
গ্রেপ্তারকৃত ১৫ জন হলেন: মো. নূর আমিন হাওলাদার (২৮), মাহমুদ মিয়া (২২), মোহাম্মদ বেলাল (৩২), ফারুক মিয়া (৩০), লুৎফা বেগম (৪২), জুবায়ের হোসেন শিহাব (২১), মো. রাজিব (২৯), ফুয়াদ হোসেন ববি (৩৮), মো. আলাউদ্দীন (৪০), নাকীব ইসলাম দিদার (২৬), মো. আরাফাত (১৯), মো. রবিন (২৫), আবদুর রহমান (২৩), বাপ্পি হোসেন (২৮) এবং মো. সুজন শেখ (১৯)।
তেজগাঁও এলাকায় অভিযান একই দিনে তেজগাঁও থানা এলাকায় পুলিশের অপর এক বিশেষ অভিযানে ৫২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ৫২ জন হলেন: মো. আশিক মোহাম্মদ (২০), মো. শাকিল (২১), জাহাঙ্গীর হোসেন হৃদয় (২৯), মোহাম্মদ আলী (৩০), সুমন (৩৪), শাহিনুর বেগম (৩৪), রুনা বেগম (৩৪), মো. রাসেল মিয়া (৩৭), মো. শান্ত (২৪), রিপন আল হাসান (২১), সাদমান সাকিব খান (২৭), মেহেদী হাসান (২০), মো. আকাশ (২৪), জাবেদ ওরফে মন্টু (৪০), মো. টুটুল (২৬), মো. তালেব (১৭), মো. রাসেল (২১), আল-আমিন (২৫), মো. সোহেল (৩৮), মো. জনি (৩৮), সোহেল মিয়া (২৪), শাকিল মিয়া ওরফে গিট্টু শাকিল (২০), মো. অমিত (২১), মো. শাকিল (২৩), রাব্বি মোল্লা (৩১), মো. মোহিন (১৯), খলিলুর রহমান (৫২), মো. মিঠুন ওরফে ডোরেমন (২৯), মো. আবিদ (৩০), মো. সুমন (৩১), মো. বাদশা (২৫), মো. বাল্লিক, মো. জীবন, সুজন মিয়া (২২), মো. নূর আলম (২৬), মো. জাহাঙ্গীর (২৮), মো. মহসীন (২৫), হামীম ফকির (২০), মো. সাগর (২৮), মো. ইমন (২৮), মো. আকাশ (২৬), আল আমিন রাসেল (২১), মো. মোস্তফা পাটোয়ার (৫৫), মিজানুর রহমান (২২), মো. আলম (২৮), তকি ওসমান (২১), মো. সোহেল (২৯), শাহনাজ পারভীন রিপা (২৮), ওমর ফারুক (২৫), সায়দার আলী (৩০), মো. আতাউর রহমান (৩০) এবং মো. সুজন মিয়া (২২)।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।